সন্ধ্যা ৭:৪১ মঙ্গলবার ১২ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ ১লা রবিউল আউয়াল, ১৪৪৪ হিজরি

হোম খেলা গুলের সেরা তিন

গুলের সেরা তিন

লিখেছেন Fahmid Souror
Spread the love

নতুন পেসারদের ভীড়ে পাকিস্তান জাতীয় দলে অনেকদিন ধরেই ব্রাত্য উমর গুল। ঘরোয়া ক্রিকেটের দারুণ পারফরম্যান্সও দলের দরজা খুলতে পারেনি।  ২০১৬ সালে কার্ডিফে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলা ওয়ানডেটাই দেশের হয়ে ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ হয়ে রইল এই পেসারের। ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া ন্যাশনাল টি-টোয়েন্টি কাপ খেলেই ক্যারিয়ারকে বিদায় জানাতে চলেছেন গুল।

২০০২ এর অনুর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ থেকেই আলো ছড়াতে থাকেন উমর গুল। সেবার পাকিস্তান দলগতভাবে আহামরি কিছু করতে না পারলেও ৫ ম্যাচে ১১ উইকেট নেন তিনি।  পরের বছর ওয়ানডে বিশ্বকাপ খেলে বিদায় নেন পাক কিংবদন্তি পেসার ওয়াসিম আকরাম ওয়াকার ইউনুস। এই সুযোগে জাতীয় দলে ঢুকে পড়েন গুল।

২০০৩ সালে শারজাহতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে দিয়ে পাকিস্তান দলে অভিষেক হয় উমর গুলের।  অভিষেক ম্যাচে দলের সেরা বোলার ছিলেন তিনি।  প্রায় এক যগের ক্যারিয়ারে ইনজুরি, খারাপ ফর্মের কারণে জাতীয় দলে খুব একটা নিয়মিত ছিলেন না এই বোলার। ২০০৯ সালে পাকিস্তানকে বিশ্বকাপ জেতাতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছিলেন গুল। আসরে ৭ ম্যাচে নেন ১৩ উইকেট।

উমর গুলের ক্যারিয়ারের সেরা কয়েকটি মূহূর্ত দেখে নেওয়া যাক

ফ্যাব ফোর বনাম গুল

১৯ বছর পর ২০০৪ সালে পাকিস্তান সফরে যায় ভারতীয় ক্রিকেট দল।  ওয়ানডে সিরিজ হারের পর প্রথম টেস্টেও হারে পাকিস্তান। দ্বিতীয় টেস্টে সাব্বির আহেমদের জায়গায় ফেরানো হয় উমর গুলকে। প্রথম ইনিংসে একাই ভারতকে ধসিয়ে দেন এই পেসার। শেবাগ, শচীন, লক্ষণ, দ্রাবিড় ও পার্থিব প্যাটেলকে ফিরিয়ে ভারতকে ২৮৭ রানে আটকে রাখেন গুল। সেই ম্যাচ পাকিস্তান জেতে ৯ উইকেটে।  ম্যাচ সেরা হন গুল।

২০০৭ ও ২০০৯ এর বিশ্বকাপ

অল্পের জন্য ২০০৭ সালের বিশ্বকাপ হাতছাড়া করে পাকিস্তান।  সেবার ১৩ উইকেট নিয়ে টুর্নামেন্টের সেরা বোলার ছিলেন গুল। বিশ্বকাপ না পাওয়ার অপ্রাপ্তিটা দু বছর পরই দূর করেন এই পেসার। ২০০৯ সালেও ১৩ উইকেট নিয়ে পাকিস্তানকে ১৯৮৭ সালের পর প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ এনে দেন তিনি।

৫/৬, ৫/৬

২০০৯ সালের বিশ্বেকাপের প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হেরে যায় পাকিস্তান। দ্বিতীয় ম্যাচে হারলে নিশ্চিত বিদায়।  সেই ম্যাচে মাত্র ৬ রানে ৫ উইকেট নিয়ে পাকিস্তানকে জয় এনে দেন গুল। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রথম বোলার হিসেবে ৫ উইকেট নেন এই পেসার।  ২০১৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষেও মাত্র ৬ রান খরচায় ৫ উইকেট নেন উমর গুল।

২০০৩ সালের পর থেকে টেস্টে আর দেখা যায়নি উমর গুলকে।  ৩৬ বছর বয়সে জাতীয় দলে জায়গা পাওয়া আর সম্ভব নয় এটা ভেবেই ক্রিকেটকে গুডবাই জানাচ্ছেন তিনি। তবে মাঠে না খেললেও কোচিং দিয়ে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করবেন তিনি।  বর্তমানে বেলুচিস্তান ক্রিকেটের মেন্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।

৪৭ টেস্টে ১৬৩, ১৩০ ওয়ানডেতে ১৭৯ এবং ৮৫ টি টি-টোয়েন্টিতে ৮৫টি উইকেট নিয়েছেন এই পেসার।

You may also like

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More